Recents in Beach

header ads

কতদিন পর পর হস্তমৈথুন করা যাবে | কতদিন পর পর হস্তমৈথুন করলে শরীরের কোন সমস্যা হবেনা


কতদিন পর পর হস্তমৈথুন করা যাবে | কতদিন পর পর হস্তমৈথুন করলে শরীরের কোন সমস্যা হবেনা

হস্তমৈথুন

প্রথম আমরা যদি ইসলামের দৃষ্টিতে দেখি তাহলে ইসলামে কিন্তু হস্তমৈথুনকে সম্পূর্ণ হারাম বলা হয়েছে। এটা অত্যন্ত গুনাহের কাজ। এটা অনেকটা নিজেকে নিজে বিয়ে করার মতোই। হস্তমৈথুন হচ্ছে আসলে নিজের হাতের মাধ্যমে নিজের লিঙ্গকে উত্তেজিত করা এবং হাতের মাধ্যমে বীর্যপাত ঘটানোর। পুরুষরা সাধারন নিজের হাত দ্বারা তাদের লিঙ্গ কে উত্তেজিত করে এবং বীর্যপাত ঘটায়। এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় তারা তাদের আঙুল দিয়ে তাদের যোনিতে আঙুল প্রবেশ করিয়ে বীর্যপাত ঘটায়।

আপনি পুরুষ কিংবা নারী যেই লিঙ্গের হন না কেন ইসলামে কিন্তু হস্তমৈথুন কে সম্পূর্ণ নিষেধ করা হয়েছে। এবং ডাক্তাররা ও সকল পেশেন্টকে কিন্তু হস্তমৈথুন থেকে বিরত থাকার উপদেশ দিয়ে থাকে। তবে কিছু কিছু ডাক্তারদের মতে যদি মাঝেমধ্যে হস্তমৈথুন করা হয় তাহলে সেটা খারাপ কিছুনা। তাদের যুক্তি মতে পুরুষের শরীরে যে বীর্য উৎপাদন হয় এবং তাতে যে শুক্রাণু থাকে সেটা কিন্তু একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত জীবিত থাকে। এর পরে সেই শুক্রাণুগুলো মারা যায় এবং প্রসাব এর সাথে বেরিয়ে যায়। তাই আপনি যদি মাঝে মাঝে হস্তমৈথুন করেন এবং বীর্যপাত ঘাটান তাহলে কিন্তু কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

তবে আমি বলব আপনি যদি একেবারেই হস্তমৈথুন না করে পারেন অর্থাৎ হস্তমৈথুন না করে থাকতে পারেন সেটাই আপনার জন্য ভালো হবে। এর কারণ হচ্ছে আপনি যদি একবার কোন ভাবেই হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন তাহলে কিন্তু এই অভ্যাস থেকে বের হয়ে আসা অনেক কঠিন কাজ। আপনি বের হয়ে আসতে চাইলেও তখন দেখবে যে পারছেননা। সুতরাং চেষ্টা করুন যেন হস্তমৈথুন না করে থাকতে পারেন। তবে অনেক রোগী আছে যারা আসলে একেবারে হস্তমৈথুন করে থাকতে পারে না এবং হস্তমৈথুন না এক ধরনের অস্বস্তিতে ভোগে। তাদের কে আসলে ডাক্তাররা মাসে 1 থেকে 2 বার হস্তমৈথুন করার অনুমতি দিয়ে থাকে।

তবে আপনি হস্তমৈথুন করবেন কি করবে না এটা সম্পূর্ণ আপনার নিজের ব্যাপার এবং আমি এটা আপনার উপরই ছেড়ে দেব। কিন্তু অতিরিক্ত হস্তমৈথুন কিন্তু জীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে। অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে নানা রকম শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। হস্তমৈথনের কারনে একজন পুরুষের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ এবং জটিল যে সমস্যাটা দেখা যায় সেটা হচ্ছে নপুংসকতা। অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের কারণে দেখা যায় যে একজন পুরুষের লিঙ্গ কিন্তু ধীরে ধীরে উত্তেজিত হবার অবস্থায় আর থাকে না।

পরবর্তীতে যে সে যখন বিবাহিত জীবনে পা রাখে তখন দেখা যায় সে স্ত্রীর সাথে যৌন মিলন করার সময় তার লিঙ্গ উত্তেজিত হচ্ছে না এবং শক্ত হচ্ছে না এবং সে যৌন মিলন করতে পারছে না। দ্বিতীয় যে সমস্যা সেটা হচ্ছে দ্রুত বীর্যপাত ঘটে অর্থাৎ যৌনমিলনের শুরুতেই দেখা যায় আর সামান্য উত্তেজনায় সময় দেখা যায় যে বীর্যপাত হয়ে যাচ্ছে। অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের কারণেই কিন্তু এই দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা টা তৈরি হয়। এছাড়া যারা অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করে এমনকি এক দিনে দুই থেকে তিন বারের বেশি হস্তমৈথুন করে। তাদের বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা কিন্তু কমে যায়।

তখন দেখা যায় যে বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা কম থাকার কারণে তারা কিন্তু সন্তান জন্মদানে ব্যর্থ হয়। এছাড়া হস্তমৈথনের কারনে শারীরিক দুর্বলতা এবং শরীরে ক্লান্তি বোধ করার মত সমস্যাগুলো তো আছেই। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করার কারণে সে চোখে ঝাপসা দেখে বা চোখে কম দেখে। এবং অনেকের স্মরণশক্তি ও কমে যায়। এছাড়া মাথাব্যথা এটা কিন্তু একটা কমন সমস্যা।
অনেকেই বলে থাকে যে হস্তমৈথুনের পরে তাদের মাথা ব্যথা করে। 

শেষ করা আগে এটাই বলব যে ইসলামের দৃষ্টি এবং সকল ডাক্তাররা কিন্তু হস্তমৈথুন থেকে বিরত থাকার জন্য উপদেশ দিয়ে থাকে। এবং ইসলামেও কিন্তু এটা নিষেধ করা হয়েছে। আর হস্তমৈথুনের যে সমস্যাগুলো এগুলো জানার পরে আপনি হস্তমৈথুন করবেন কি করবেন না এটা সম্পূর্ণ আপনার নিজের ব্যাপার।

Share with your friends. Help them find out about this.

I hope you understand the matter.

Thank you.

Post a Comment

0 Comments