Recents in Beach

header ads

কতদিন পর পর যৌনমিলন করা শারীরিক ও মানসিক ভাবে ভালো

কতদিন পর পর যৌনমিলন করা শারীরিক ও মানসিক ভাবে ভালো

Couple

দম্পতিদের যখন নতুন বিয়ে হয় তখন তাদের শরীরের ইচ্ছা কিংবা যৌন চাহিদা থাকে অনেক বেশী। এজন্য বিয়ের প্রথম 2-1 বছর দেখা যায় কোন কোন দম্পতি প্রায় প্রতিদিনই যৌন মিলন করে। স্বামী এবং স্ত্রী দুজনেই যদি শারীরিক ভাবে ফিট থাকে এবং দুজন শরীরে যৌন ইচ্ছা বা চাহিদা যদি সমান থাকে। তাহলে তারা চাইলে প্রতিদিন ও যৌন মিলন করতে পারে। এটা তাদের শরীর জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়। এছাড়া স্বামী-স্ত্রীর সকালে দিনে দুপুরে যে কোন সময় কিন্তু যৌনমিলন করতে পারে।

কিন্তু যখন বিয়ের 2-1 বছর পার হয়ে যায় তখন কিন্তু তারা অনেক বেশি ব্যস্ত হয়ে পরে সংসারের অর্থ উপার্জনের জন্য কিংবা সংসার গোছানোর জন্য। দুজনের ব্যস্ততা যখন অনেক বেড়ে যায়। তখন আগের মত যৌনমিলনে ব্যাপারটা কিন্তু আর থাকেনা। যাইহোক স্বামী-স্ত্রীর প্রথম 2-1 বছর মাসে কতবার যৌনমিলন করবে কিংবা সপ্তাহে কতবার যৌনমিলন করবে এর সুনির্দিষ্ট কোনো মাত্রা দেওয়া ঠিক নয়। 
কারণ এই সময় যৌন মিলন কে উপভোগ করার সময়।

যখন বিয়ের 2-1 বছর পার হয়ে যাবে এবং যে সকল দম্পতি তাদের বয়স 20 থেকে 30 বছর মধ্যে রয়েছে এ সকল দম্পতিরা সপ্তাহে তিনবার কিংবা মাসে বারো বার যৌন মিলন করলে এটা তাদের শরীরের জন্য ভালো এবং তাদের দাম্পত্য জীবনের জন্য কিন্তু অনেক ভালো। এরপর বয়স বাড়ার সাথে সাথে কিন্তু যৌনমিলনের হার ও ধীরে ধীরে কমতে থাকবে। যেমন, বয়স 30 থেকে 40 এর যে সকল দম্পতি তারা যদি সপ্তাহের কমপক্ষে দুইবার যৌন মিলন করে তাহলে আশা করা যায় যে স্বামী স্ত্রী উভয় সন্তুষ্ট থাকবে।
এরপর বয়স যখন ৪০ থেকে ৫০ এর ঘরে থাকবে তখন যদি সপ্তাহে একবার যৌন মিলন করে তাহলে আশা করা যায় স্বামী-স্ত্রী উভয়ের সন্তুষ্ট থাকবে। 

এরপর বয়স 50 পার হয়ে গেলে মহিলাদের শরীরে যৌন আকাঙ্ক্ষা কিছুটা কমে গেলও। এই সময় পুরুষের শরীর কিন্তু যৌনাকাঙ্ক্ষা ঠিকই থাকে। তাই এই সব বয়সে দম্পতিরা মাসে একবার কিংবা দুইবার যৌন মিলন করলেও কিন্তু তাদের শরীরের জন্য যথেষ্ট। যাইহোক আমরা যেটা দেখতে পেলাম যে অল্প বয়সে দম্পতিরা যৌন মিলন একটু বেশি করে। কারণ বয়স অল্প থাকার কারণে তাদের শরীরে যৌন উত্তেজক হরমোনের প্রভাব থাকে অনেক বেশি।

আর এই হরমোনের কারণে তারা বেশি যৌন মিলন করে। কিন্তু এর পরে ধীরে ধীরে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিন্তু পুরুষের শরীরে এবং স্ত্রীর শরীরে যৌন উত্তেজক হরমোনের প্রভাব ধীরে ধীরে কমতে থাকে। যার ফলে তাদের যৌন আখাংকা কিন্তু ধীরে ধীরে কমতে থাকে। স্বামী স্ত্রী উভয়ই লক্ষ্য রাখা উচিত যে আপনার শরীরে যে পরিমাণ যৌন উত্তেজক হরমোনের প্রভাব বা যৌনাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। আপনার স্ত্রীর শরীরে ওই একই রকম যৌন আকাঙ্ক্ষা রয়েছে কি না। কারণ হতে পারে আপনার হয়তো যৌনাকাঙ্ক্ষা রয়েছে কিংবা আপনারই স্ত্রী হয়তো একেবারেই যৌনাকাঙ্ক্ষা নেই।

Couple

আবার আপনার স্ত্রীর হয়তো যৌন আকাঙ্ক্ষা রয়েছে কিন্তু আপনার যৌনাকাঙ্ক্ষা নেই। এক্ষেত্রে দুজন যদি দুজনের শারীরিক চাহিদা পূরণ করতে না পারে তাহলে কিন্তু দাম্পত্য জীবনে এক ধরনের মতবিরোধ কিংবা কলহের সৃষ্টি হয়। তাই সব সময় নিজের সঙ্গী বা সঙ্গিনীর চাহিদার প্রতি লক্ষ্য রাখবেন। আর আমি এতক্ষণ যে বয়সে যতক্ষণ কিংবা যতবার মিলন করার কথা বলেছি আপনি যদি ততবার কিংবা এর কাছাকাছি মিলন করতে পারেন তাহলে আশা করা যায় আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনী আপনার প্রতি সন্তুষ্ট থাকবে এবং আপনাদের দাম্পত্য জীবন ভালো কাটবে।

Hopefully following the tips, you will get the solution to this problem.

Share with your friends. Help them find out about this.

I hope you understand the matter.

Thank you.

Post a Comment

0 Comments