Recents in Beach

header ads

দাউদ বা দাদ চুলকানি থেকে মুক্তির সহজ উপায় | কিভাবে দাউদ বা দাদ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে

দাউদ বা দাদ চুলকানি থেকে মুক্তির সহজ উপায় | কিভাবে দাউদ বা দাদ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে

দাউদ

দাদ হাজা চুলকানি এমন রোগ যেটি অনেক সময় নিজে নিজে ভাল হয়ে যায়। কিন্তু অনেক সময় অনেক ধরনের ঔষধ লাগানো পড়ো এটি আমাদের পেছনে ছাড়েনা। আর অনেকবার তো শরীর এমন জায়গায় এটি হয়ে যায় যেটি আমাদের খুব বিরক্ত করে। কিন্তু এই যে টিপসটি আপনাদের জন্য আজ নিয়ে এসেছি এটি আপনার প্রথম ব্যবহার থেকে আপনার দাদ হাজা চুলকানি থেকে আরাম দিবে আপনাকে। আর ধীরে ধীরে এর ব্যবহার থেকে আপনার দাদ হাজা চুলকানির মত রোগ কি গোড়া থেকে শেষ করবে। তো আসুন দেখেনি কিভাবে আপনি এই টিপসটি তৈরি করবেন বাড়িতেই।

এই টিপসটির প্রয়োগ আপনাকে দুটি পদ্ধতিতে করতে হবে। প্রথম পদ্ধতিটি আপনার শরীর থেকে দাদ হাজা চুলকানি কে গোড়া থেকে শেষ করবে। দ্বিতীয় পদ্ধতিটি আপনার দাদ হাজা চুলকানি ফলে হওয়ার দাগ ধীরে ধীরে আপনার শরীর থেকে গায়েব করবে। যেটা দেখে আপনার কখনো মনে হবে না যে আপনার কখনো দাদ হাজা চুলকানি হয়েছিল।

  • প্রথম টিপস 

তো সবার প্রথমে আপনি এখানে নিন একটি কলা। কলা টি অর্ধেক কেটে নিবেন আপনি। কলা ফাংগাল ইনফেকশন মানে চুলকানির মত ব্যাক্টেরিয়া কম করার জন্য খুবই উপকারী। সাথে এটি দীর্ঘ দিনের দাদ চুলকানি তে দারুণ কাজ করে। যেটায় আপনি প্রথম দিন থেকে চুলকানি থেকে আরাম পাবেন। আপনি এখানে অর্ধেক কলা নিন। আর এর চিলকা ছাড়িয়ে এটিকে আপনি চামচের সাহায্যে পিসে দিন। আপনি এখানে চামচের সাহায্যে কলা একদম হালকা ভাবে পাতলা পাতলা করে নিবেন। আর এই যে কলা টি পেশার পর দেখতে ঠিক পাতলা লাগবে।
এর পরে জিনিসটি যা আপনি এখানে নিবেন ও টি হল লেবু। আপনি এখানে একটি লেবু নেই। আর লেবু কে অর্ধেক করে কেটে নিতে হবে। আর লেবুটি নিয়ে কলার পেস্টে মিশিয়ে দিন। চুলকানি থেকে দ্রুত মুক্তি পেতে লেবু খুবই উপকারী সাথে সাথে এটি অ্যান্টিসেপ্টিক আর এন্ড ইরিটিটিক গুনাগুন পাওয়া যায়। যেটি আমাদের দাদ হাজা চুলকানি থেকে মুক্তি প্রদান করে। আপনি দুটিকে ভালোভাবে মিক্স করুন। আর 1 থেকে 2 মিনিট অব্দি নিক্স করার পর আমাদের প্রথম টিপসটি তৈরি। আপনাকে এর ব্যবহার যেখানে আপনার শরীর দাদ হাজা চুলকানির মত রোগ আছে ওখানে করতে হবে।

এর জন্য আপনি সবার প্রথমে একটি তুলোর ছোট অংশ নিন। আর যেখানে আপনার দাদ হাজা চুলকানি সমস্যা আছে ওখানে আপনি এটিকে লাগান। মনে রাখবেন এখানে আপনি শুধুমাত্র তুলোর ব্যবহার করবেন। কেননা চুলকানিতে হাত লাগালে তা আরো দ্রুত বেড়ে যায়। আপনি তুলোর সাহায্যে এটিকে ভালোভাবে আপনার দাদ হাজা চুলকানিতে 1 থেকে 2 মিনিট অব্দি লাগান। পুরো এরিয়া টিতে লাগিয়ে নিবেন। আর এরপর আপনি দিকে শুকানোর জন্য রেখে দেবেন। এমন করলে এটি আপনার দাদ হাজা চুলকানি কে গোড়া থেকে পরিষ্কার করবে।

  • দ্বিতীয় টিপস

আর দাদ হাজা চুলকানির দাগ তোলার জন্য সবার প্রথমে আপনি নিবেন কর্পূর। আপনি এখানে তিন থেকে চারটি কর্পূরের পিস নিয়ে এগুলোকে ভালোভাবে পিসে নিবেন। আর অর্ধেক চামচের বরাবর কর্পূর এর গুড়ো নিয়ে একটি খালি বাটিতে দিয়ে দিবেন। কর্পূর দেয়ার পর নেক্সট যে জিনিসটি আমরা এখানে নেব ও টি হল নারকেল তেল। আপনি এখানপ নারকেল তেলে নিন। আর নারকেল তেলের এক চামচ মাত্রায় এর সাথে মেশাতে হবে। আর এক চামচ নারকেল তেল দেয়ার পর আপনি এটিকে ভালোভাবে মিক্স করে তৈরি করে নেবেন।
এরপর এটিকে আপনার ফাংগাল ইনফেকশন এর জায়গায় মানে দাদ হাজা চুলকানি জায়গায় তুলোর দ্বারা লাগাবেন। আপনাকে এর ব্যবহার একদম প্রথম টিপসটির মতই করতে হবে। যেমন ওটিকে লাগিয়েছিলেন একদম ঐরকম করে। আপনি এটিকে 10 মিনিট অব্দি লাগিয়ে রাখবেন। এমন করলে এটি আপনার দাদ হাজা চুলকানির দাগ ধীরে ধীরে গোড়া থেকে পরিষ্কার করবে। আর আপনার এমন লাগবে যে ওখানে কখনো দাদ হাজা চুলকানির মত রোগ ছিলইনা। প্রতিদিন মাত্র একবার ব্যবহারে আপনি এর পার্থক্য এক সপ্তাহে দেখতে পাবেন। আপনার দাদ হাজা পুরোপুরিভাবে নির্মূল হবে আর ধীরে ধীরে ওর দাগ ও গায়ক হতে থাকবে।

Hopefully following the tips, you will get the solution to this problem.

Share with your friends. Help them find out about this.

I hope you understand the matter.

Thank you.

Post a Comment

0 Comments