Recents in Beach

header ads

হজম শক্তি বাড়ানোর সহজ উপায় | পাচন শক্তি বাড়ানোর সহজ উপায় | কিভাবে হজম শক্তি বাড়ানো যায় | কিভাবে পাচন শক্তি বাড়ানো যায়

হজম শক্তি বাড়ানোর সহজ উপায় | পাচন শক্তি বাড়ানোর সহজ উপায় | কিভাবে হজম শক্তি বাড়ানো যায় | কিভাবে পাচন শক্তি বাড়ানো যায়

হজম প্রকৃয়া

পাচন শক্তি কমজোর হয়ে গেলে এটি শুধুমাত্র আমাদের পেটে সীমাবদ্ধ থাকে না। পেটে তৈরি হওয়া গ্যাস, অ্যাসিডিটি সাথে সাথে আমাদের লিভার সঠিকভাবে কাজ না করা। বা আমাদের মুখের দাগের সাথে সাথে আমাদের চুল সময়ের আগেই পেকে যাওয়া। আর শরীর পুরোপুরি ভাবে নিউট্রিশন না পাওয়া। এগুলি সব কমজোর হওয়া পাচন শক্তির লক্ষণ। এটাই কারণ যদি আমাদের দীর্ঘদিন ধরে পাচন শক্তি কমজোর থাকে তো আমাদের শরীর এতটাই কমজোর হয়ে যাবে যে দেখতে রোগা পাতলা লাগবে।

আর এই জন্যই পাচন শক্তি মজবুত থাকলে শুধুমাত্র পেটের রোগ দূর করে তা না। শরীরকে প্রয়োজনীয় নিউট্রিশনও পৌঁছায়। এটাই আমাদের সুন্দর, সুগঠিত শরীর বানাতে সাহায্য করে। এইজন্য আজকে আমি আপনাদের জন্য যে টিপসটি নিয়ে এসেছি এটি আপনার দুর্বল হজম শক্তি নিমূর্ল করবে। তো চলুন শিখে নেই আপনি কিভাবে এই টিপসটি তৈরি করবেন। যেমন ভাবে আমরা আমাদের চুল, আর মুখের খেয়াল রাখি। ওইভাবেই আমাদের হজমের খেয়াল রাখা দরকার। কেননা মজবুত হজম শক্তি আমাদের শরীরকে চিরকাল স্বাস্থ্যবান আর একটিভ রাখে।
এর জন্য সবার প্রথমে আপনি নিয়ে নিন এলাচি। পেটের সাথে জড়িত সব ধরনের সমস্যাকে যেমন গ্যাসের মত রোগকে তো দূরে রাখেই। সাথে এটি আমাদের পাচন প্রক্রিয়াকে খুবই তেজ করে দেয়। যেটায় আমাদের খাওয়া খাবার দ্রুত হজম হয়। এর সাথে আমাদের শরীর জরুরী নিউট্রিশন ও পায়। আর এলাচি তো সবার ঘরে খুব সহজে পাওয়া যায়। আপনিও এলাচি নিয়ে এর বীজ বের করে নিন। আপনাকে এক চামচ এর বরাবর এলাচির বীজ নিতে হবে। আর একটি পরিষ্কার বাটিতে দিয়ে দিবেন। এলাচি নেয়ার পর আপনি নিন মিস্রি। মিস্রি কিন্তু চিনির মতোই হয়।

এটি চিনির শক্ত অংশও বলতে পারেন। কিন্তু চিনি নেওয়া যাবে না। আপনি এখানে মিস্রি নিবেন। মিস্রি আপনি পরিমাণ মত একটি পিস নিয়ে নেবেন। আর এটি আপনি যে কোন মুদি দোকান থেকে পেয়ে যাবেন। এরপর আমরা এখানে মেশাবো গোলমরিচ। পেটে হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মাত্রা বাড়ানোর জন্য গোলমরিচ খুবই উপকারী। আর এটাই আমাদের পাচন ক্রিয়া তেজ করে। আর আমাদের খাওয়া খাবার দ্রুত আর ভালোভাবে হজম হয়। এখানে এক চামচ গোলমরিচ নিবেন। আর একদম শেষে যেটি মেশাবেন ওটি হলো জিরা। আর মনে রাখবেন জিরা যেন শুকনো থাকে। যদি জিরায় রস ভাব থাকে তবে আপনি এটিকে ভেজে নিবেন।

পেট থেকে সম্বন্ধিত রোগের জন্য জিরা খুবই উপকারী। জিরা ও একদম গোলমরিচের বরাবর এক চামচ নিতে হবে। এবার আমরা এগুলো কে গুড়ো করে নেব। আপনি এগুলো গুড়ো করে একদম পাউডারের মত বানিয়ে নেবেন। আপনাকে এর ব্যবহার কোন জিনিসের সাথে আর কিভাবে করতে হবে এটি জানা খুবই জরুরী। সাথে সাথে খাওয়ার সময় আপনাকে কিছু কথার খেয়ালও রাখতে হবে। যেটায় আপনার পাচন শক্তি ঠিক হয়ে যাবে। দিনে যখনই আপনি খাবার খাবেন। খাবার সবসময় ধীরে ধীরে আর চিবিয়ে চিবিয়ে খাবেন। আর রাত্রের খাবার কখনো ফাস্টফুড মানে তেলেভাজা টাইপের খাবার খাবেন না। সব সময় পুষ্টিকর খাবার খান।

এর ফলে আপনার পাচন ক্রিয়া দ্রুত হবেই তার সাথে সাথে খাবার সঠিক ভাবে হজম হবে। এই টিপসের প্রয়োগ করার জন্য আপনি এখানে নিন এক বাটি দই। একদম তাজা দই নিতে হবে। আর এতে আপনি গুড়োর অর্ধেক চামচ মিশিয়ে দিন। আর এটিকে আপনি ভালোভাবে মিক্স করে নিন। এই টিপসটি প্রয়োগ সবসময় দিনে মানে সকালে খাবার খাওয়ার পরই করতে হবে। মানে আপনি সকালের নাস্তা করুন। আর নাস্তা করার পর 10 টা থেকে 11 টার মধ্যে আপনি এই টিপসের প্রয়োগ করুন। আপনি এই টিপসটি দইয়ের সাথে নিন।
যেটা আপনার হজম শক্তিতো বাড়বেই। সাথে সাথে আপনার পেট পরিষ্কার রাখবে। আর রাতের খাবার খাওয়ার পর প্রতিদিন 1 চামচ মরিচ সেবন করবেন। আর ভালোভাবে চিবিয়ে চিবিয়ে খাবেন। দুই সপ্তাহ আপনি এই টিপসটি ব্যবহার করার পর আপনি দেখবেন আপনার পাচন শক্তি আগের থেকে অনেক গুণ বেশি শক্তিশালী হয়ে গিয়েছে। আর আপনার খাবার ও সঠিক ভাবে হজম হচ্ছে। আর যদি আপনার শরীর কমজোরী আর অলস লাগে তবে এটিও দূর হয়ে যাবে।

Hopefully following the tips, you will get the solution to this problem.

Share with your friends. Help them find out about this.

I hope you understand the matter.

Thank you.

Post a Comment

0 Comments